পোস্টগুলি

মন মাঝি খবরদার গানটি সম্পর্কে জানতে চাই

 মন মাঝি খবরদার আমার তরী যেন ভেড়ে না আমার নৌকা যেন ডুবে না। গানঃ মন মাঝি খবরদার সাড়ে তিন হাত নৌকার খাঁচা মন মাঝি রে ঘন ঘন জোড়া সেই নৌকা খান বাইতে আমার তো  মন মাঝি রে হাড় হইলো গুড়া রে। মাস্তুলে উঠিয়া রে মাঝি  মন মাঝি যে  এদিক ওদিক চায় পেছন ফিরে চাইয়া দেখ রে      মন মাঝি রে বেলা ডুইবা যায় ও রে।  গানটি আসল  লেখক নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। তবে, খোঁজ নিয়ে জানা গেছে গানটি মূল লেখক দিনু ফকির। পল্লী কবি  জসীমউদ্দিন ১৯২৪ সাথে  দিনু ফকিরের কাছ থেকে গানটি সংগ্রহ করে তার সংকলন ‘মুর্শিদা গান’ -এ অর্ন্তভূক্ত করেন। মুর্শিদী গান এক প্রকার আধ্যাত্মিক গান। সুফিদের দ্বারা  এর উদ্ভভ ও বিকাশ ঘটেছে। তবে, সম্প্রতি গানটি ফেসবুকে ভাইরাল হয়। অনেকে অনেকের মতো গেয়ে যাচ্ছে। একটা থেকে অন্যটা ভাল হচ্ছে। অতীতেও অনেক শিল্পী এ গানটি কভার করেছেন। “সাইমুম শিল্পীগোষ্ঠী” এটাকে ইসলামিক গান হিসেবে প্রচার করে। 

উকুলেলে কী এবং কোথায় প্রথম দেখা যায়

উকুলেলে  একটা ছোট তারযুক্ত বাদ্যযন্ত্র যা দেখতে ছোট গিটারের মতো। চারটি নাইলনের তার দিয়ে সুর তোলে গান গাওয়া যায়। এটি পর্তুগীজ বাদ্যযন্ত্র ব্র্যাগিনিয়া থেকে উদ্ভুদ লাভ করে এবং হাওয়াই দ্বীপ পুঞ্জে গিয়ে জনপ্রিয়তা লাভ করে।  চার ধরণের উকুলেলে বাজারে পাওয়া যায়: ১। সোপ্রানো ২। কনসার্ট ৩।টেনার  ৪। ব্যারিটোন ইতিহাস উনবিংশ শতাব্দীর শেষ দিকে পর্তুগিজ অভিবাসীরা হাওয়াই দ্বীপপুঞ্জে যন্ত্রটি নিয়ে আসে। হাওয়াইনরা যন্ত্রটিকে পছন্দ করে নাম দেয় উকুলেলে, যার অর্থ উড়ন্ত মাছি। কারণ উকুলেলে এর উপর  আঙ্গুলগুলো মাছির মতো উড়তে থাকে। শুধু তাই না, হাওয়াইন রাজা কালাকাউয়া এর জনপ্রিয়তায় ব্যাপক অবদান রাখেন। হাওয়াইন সঙ্গীত ও সংস্কৃতিতে এই বাদ্যযন্ত্র বাজানো সমর্থন ও জোরালো প্রচার শুরু করেন। শিল্পকলার সমর্থক হিসেবে রাজকীয় অনুষ্ঠানগুলোতে  এই বাদ্যযন্ত্র বাজানো আদেশ দিয়েছিলেন।

বকুল ফুল বকুল ফুল গানটির গীতিকার কে

 গীতিকারঃ বাউল শাহ আব্দুল করিম গেয়েছেন বিভিন্ন শিল্পী।  গানটি মূলত লোকগান বা বাউল গান। বকুল ফুল বকুল ফুল সোনা দিয়া হাত কানও বান্ধাইলি।। শালুক ফুলের লাজ নাই,  রাইতে শালুক ফোঁটে লো রাইতে শালুক ফোঁটে যার সনে যার ভালবাসা সেইতো মজা লুটে লো সেইতো মজা লুটে বকুল ফুল বকুল ফুল সোনা দিয়া হাত কানও বান্ধাইলি।। আমার জামাই ধান বায় হরিণ ডাঙার মাঠে সোনা দেহে ঘাম ঝরে দেইখ্যা পরাণ ফাঁটে। বকুল ফুল বকুল ফুল সোনা দিয়া হাত কানও বান্ধাইলি।। শাওন ও ভাদর মাসে  জামাই আদর করে  ইচ্ছে জামাই করব আদর দানা তো নাই ঘরে। বকুল ফুল বকুল ফুল সোনা দিয়া হাত কানও বান্ধাইলি।।

হাশিম মাহমুদের জনপ্রিয় দুটি গান

 ১। গীতিকার ও সুরকার: হাশিম মাহমুদ শিল্পী: এরফান মৃধা শিবলী সঙ্গীত: ইমন চৌধুরী তুমি বন্ধু কালা পাখি  আমি যেন কি ? বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি.. বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি.. সাদা সাদা কালা কালা  রং জমেছে সাদা কালা, সাদা সাদা কালা কালা  রং জমেছে সাদা কালা, হইছি আমি মন পাগলা  বসন্ত কালে .. তুমি বন্ধু কালা পাখি  আমি যেন কি ? বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি, বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি.. পিরিত ভালা গলার মালা  বল্লে কি আর হয়, যারে ভালো লাগে আমার  দেখলে তারে চোখে নেশা হয় রে বন্ধু  চোখে নেশা হয়।  সাদা সাদা কালা কালা  রঙ জমেছে সাদা কালা, সাদা সাদা কালা কালা  রঙ জমেছে সাদা কালা, হইছি আমি মন পাগলা  বসন্ত কালে .. তুমি বন্ধু কালা পাখি  আমি যেন কি ? বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি, বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি .. তুমি বন্ধু কালা পাখি  আমি যেন কি ? বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি.. বসন্ত কালে তোমায়  বলতে পারিনি.. সাদা সাদা কালা কালা  রং জমেছে সাদা কালা, সাদা সাদা কালা কালা  রং...

“তোমারে ফুটাইতে গো আমার চোখের নিচে কালি” গানটি কার লেখা

 “তোমারে ফুটাইতে গো আমার চোখের নিচে কালি” গানটি কার লেখা তোমারে ফুটাইতে গো আমার চোখের নিচে কালি, তুমি যেই বাগানের ফুল আমি সেই বাগানের মালি  গানটি বাউল শিল্পী পাগল হাসানের। আর “বাগানের মালি” নামের গানটি গেয়েছেন লালন ব্র্যান্ড।

হাশিম মাহমুদ

 তোমায় আমি পাইতে পারি বাজি কিংবা সাদা সাদা কালা কালা গানগুলো শুনেছেন, উপভোগ করেছেন। একবারও কী মন জানতে চেয়েছে এর গীতিকার কে, সুরকার কে? জানি কেউ কেউ চেয়েছেন, তবে সবাই না। হ্যাঁ, গানগুলোর গীতিকার ও সুরকার হলেন হাশিম মাহমুদ। ‘ সাদা সাদা কালা কালা’ গানটি বের হওয়ার সাথে সাথে হাশিম মাহমুদের নামটি সবার মুখে মুখে চলে আসে। এবার তিনি কোক স্টুডিু বাংলা গানের সিজন-৩ তে হাশিম মাহমুদ বাজি গানটিতে অন্যরকম লুকে হাজির হলেন। হাশিম মাহমুদ নারায়ণগঞ্জের মিশনপাড়ার বাসিন্দা। মা জমিলা আক্তার, বাবা আবুল হাশেম। বাবা একটি বেসরকারী ব্যাংকে চাকুরি করতেন। বয়স ৫০ এর উপর। ১৯৮৫ সালে এসএসসি পাশ করে, পড়াশোনা ডিগ্রি পাস পর্যন্ত শেষ করেন। গানের জন্য চারুকলায় হাশিম নামটা বেশ জনপ্রিয়। হাশিমরা পাঁচ ভাই ও দুই বোন। হাশিম তৃতীয়। গান ছাড়াও কবিতা লিখেন, ছড়াও লিখেন।

আমি শুনেছি সেদিন তুমি

  আমি শুনেছি সেদিন তুমি সাগরের ঢেউয়ে চেপে নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ আমি শুনেছি সেদিন তুমি নোনাবালি তীর ধরে বহুদুর বহুদুর হেঁটে এসেছ   আমি কখনও যাই নি জলে কখনও ভাসিনি নীলে কখনও রাখিনি চোখ ডানা মেলা গাংচিলে আবার যেদিন তুমি সমুদ্র স্নানে যাবে আমাকেও সাথে নিও নেবে তো আমায় বল নেবে তো আমায়   আমি শুনেছি সেদিন নাকি তুমি তুমি তুমি মিলে তোমরা সদল বলে সভা করেছিলে আর সেদিন তোমরা নাকি অনেক জটিল ধাঁধা না বলা অনেক কথা, কথা তুলেছিলে   কেন শুধু শুধু ছুটে চলা একে একে কথা বলা নিজের জন্য বাঁচা নিজেকে নিয়ে যদি ভালবাসা নাই থাকে শুধু একা একা লাগে কোথায় শান্তি পাব কোথায় গিয়ে বল কোথায় গিয়ে   আমি শুনেছি তোমরা নাকি এখনও স্বপ্ন দেখ এখনও গল্প লেখ গান গাও প্রাণ ভরে মানুষের বাঁচা মরা এখনও ভাবিয়ে তোলে তোমাদের ভালবাসা এখনও গোলাপে ফোটে